কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স গুরুত্বপূর্ণ রোজগার বাংলা এআই-সহায়িত সম্পাদকীয় ডেস্ক এই দিনের সব খবর →

২০৩০ সালের মধ্যে ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ১০০ বিলিয়ন ডলারে নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভারত ও রাশিয়া তাদের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার করতে সম্মত হয়েছে, যার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ বর্তমান প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা। উৎপাদন, রেলপথ, বেসামরিক পারমাণবিক শক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজসহ বিভিন্ন খাতে শিল্প সহযোগিতা বাড়ানো হচ্ছে। উভয় দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রসার ও ঔষধ, বস্ত্র, প্রকৌশল পণ্য এবং প্রযুক্তিতে নতুন সম্ভাবনা অনুসন্ধান করবে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা শক্তিশালী রেখে এস-৪০০ এবং ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের আধুনিকায়ন ও সম্ভাব্য এসইউ-৫৭ যুদ্ধবিমানের যৌথ উৎপাদন নিয়ে আলোচনা চলছে। এই উন্নয়নগুলো আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বসহকারে গুরুত্ব পায় এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য অত্যাবশ্যক।

এই প্রতিবেদনটি এআই-সহায়তায় প্রস্তুত এবং স্বয়ংক্রিয় মান যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়েছে।

২০৩০ সালের মধ্যে ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ১০০ বিলিয়ন ডলারে নির্ধারণ করা হয়েছে।

মূল তথ্য

  • ভারত-রাশিয়ার বর্তমান বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার, এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ১০০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • শিল্প সহযোগিতা রেলপথ, ইস্পাত, পারমাণবিক শক্তি, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ঔষধশিল্প এবং মোটরগাড়ির যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত।
  • প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ও ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র আধুনিকায়ন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, এবং এসইউ-৫৭ যুদ্ধবিমানের যৌথ উৎপাদন নিয়েও আলোচনা চলছে।
  • ভারত রাশিয়ায় ঔষধ, বস্ত্র, প্রকৌশল পণ্য এবং খাদ্যপণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে।
  • ইনোপ্রম ইন্ডিয়া ২০২৬ প্রদর্শনী দুই দেশের শিল্প সংলাপকে উৎসাহিত করেছে।
  • নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন ২০২৬ ভারত-রাশিয়া আলোচনাকে পুনর্জীবিত করার একটি মঞ্চ প্রদান করেছে।

পটভূমি ও প্রেক্ষাপট

ভারত ও রাশিয়া দীর্ঘদিন ধরে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্যিক বন্ধনে একটি কৌশলগত অংশীদারিত্ব উপভোগ করছে। দশক ধরে, রাশিয়া ভারতের প্রধান প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম এবং জ্বালানি সরবরাহকারী হিসেবে অবদান রেখেছে। সম্প্রতি, উভয় দেশ প্রচলিত খাতের বাইরে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে বৈচিত্র্যময় ও গভীর করার জন্য উদ্যোগ বৃদ্ধি করেছে। ১০০ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য লক্ষ্য উভয় দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ভারতের 'মেক ইন ইন্ডিয়া' উদ্যোগ এবং রাশিয়ার প্রযুক্তি হস্তান্তরের প্রস্তাবের বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

পরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা

এই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ ভারতের বৈদেশিক অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি, যা ভারতের কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ। এটি ইউপিএসসি ও রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং ভূ-রাজনৈতিক কৌশল অংশে গুরুত্ব পায়। খাতভিত্তিক সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এবং বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রাগুলো সম্পর্কে জ্ঞান বর্তমান ঘটনাপ্রবাহ এবং অর্থনীতি অংশের জন্য অপরিহার্য।

মনে রাখার বিষয়

  • ২০৩০ সালের জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের লক্ষ্য নির্ধারণ হয়েছে।
  • ইনোপ্রম ইন্ডিয়া ২০২৬ শিল্প সহযোগিতা আলাপ-আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট ছিল।
  • এস-৪০০ ট্রায়াম্ফ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র প্রধান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ক্ষেত্র।
  • ব্রিকস-এ ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা অন্তর্ভুক্ত।
  • দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তির উদ্দেশ্য ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে বিনিয়োগ সুরক্ষা ও প্রসার করা।

অনুশীলনী MCQ

প্রশ্ন ১

  1. ভারত-রাশিয়ার বর্তমান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলার।
  2. ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের লক্ষ্য ১০০ বিলিয়ন ডলার।
  3. ভারত-রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের লক্ষ্য ২০২০ সালে নির্ধারিত হয়।
  4. ২০৩০ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগের লক্ষ্য ১০০ বিলিয়ন ডলার।

উত্তর:

প্রশ্ন ২

  1. ইনোপ্রম ইন্ডিয়া ২০২৬ মস্কোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
  2. প্রদর্শনী শুধুমাত্র প্রতিরক্ষা সহযোগিতার উপর কেন্দ্রিত ছিল।
  3. ইনোপ্রম ইন্ডিয়া ২০২৬ নয়া দিল্লি অনুষ্ঠিত হয়।
  4. কূটনৈতিক উত্তেজনার কারণে এটি বাতিল করা হয়।

উত্তর:

প্রশ্ন ৩

  1. ব্রাহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র হলো ভারত-রাশিয়ার একটি সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র।
  2. এস-৪০০ হলো একটি ভারতীয় স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।
  3. এসইউ-৫৭ বিমানটি ভারত ও চীন যৌথভাবে উৎপাদন করে।
  4. দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তির বাণিজ্যের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।

উত্তর:

তথ্যসূত্র