২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ৬০,০০০ টন রেশম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে চলেছে ভারত।
ভারত ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে তার বার্ষিক রেশম উৎপাদন ৬০,০০০ মেট্রিক টনে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে এবং ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম রেশম উৎপাদক হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করে। বর্তমান উৎপাদন প্রায় ৪২,০০০ মেট্রিক টন, যা ২০১৪ সালের ২৬,০০০ মেট্রিক টন থেকে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বৃদ্ধি সম্প্রসারণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা (GIS) এবং মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কর্ণাটক শীর্ষ রেশম উৎপাদনকারী রাজ্য এবং বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত কেন্দ্রীয় রেশম বোর্ড রেশম খাতের গবেষণা, উন্নয়ন ও সমন্বয়ে কাজ করে। সরকার কৃষকদের আয় বৃদ্ধির জন্য উন্নত ফলন ও অধিক গুটি পালন চক্র চালু করতে চায়।
এই প্রতিবেদনটি এআই-সহায়তায় প্রস্তুত এবং স্বয়ংক্রিয় মান যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়েছে।
মূল তথ্য
- ভারত ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে রেশম উৎপাদন ৬০,০০০ মেট্রিক টনে বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা করছে।
- দেশটি ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম রেশম উৎপাদনকারী দেশ হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে, বর্তমানে যা চীনের পরেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
- বর্তমান উৎপাদন প্রায় ৪২,০০০ মেট্রিক টন, যা ২০১৪ সালের ২৬,০০০ মেট্রিক টন থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে।
- উৎপাদিত রেশমের প্রকারভেদে রয়েছে তুঁত, তসর, এরি এবং মুগা রেশম।
- কর্ণাটক ভারতের শীর্ষ রেশম উৎপাদনকারী রাজ্য।
- বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত সেন্ট্রাল সিল্ক বোর্ড (CSB) রেশম খাতে গবেষণা, উন্নয়ন এবং সমন্বয়ের কাজ করে।
- উন্নত প্রযুক্তি যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), ভৌগোলিক তথ্য ব্যবস্থা (GIS), এবং মেশিন লার্নিং গুণগত মান পরিদর্শন ও উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়।
- সরকার উন্নত রেশম চাষ পদ্ধতির মাধ্যমে কৃষকদের বার্ষিক আয় ₹১০-১২ লক্ষ টাকায় উন্নীত করার লক্ষ্য রাখে।
- রেশম চাষ গ্রামীণ জীবিকা এবং শ্রম-নিষ্ঠ কৃষিভিত্তিক শিল্প হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
রেশম চাষের মধ্যে তুঁত চাষ, রেশম পোকা পালন, গুটি উৎপাদন, সুতা কাটা ও বয়ন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত। ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রেশম উৎপাদক এবং বাণিজ্যিকভাবে চার প্রকারের রেশম উৎপাদন করে। সেন্ট্রাল সিল্ক বোর্ড সমগ্র রেশম শৃঙ্খলে গবেষণা, প্রযুক্তি বিস্তৃতি, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ এবং সম্প্রসারণ সেবা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকারের উৎপাদন কৌশল নতুন রেশম পোকার সংকর জাত, উচ্চ ঘনত্বে পালন পদ্ধতি এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে উৎপাদনশীলতা ও গুণমান উন্নত করার মধ্যে প্রতিটি ধাপকে শক্তিশালী করার ওপর কেন্দ্রীভূত।
পরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা
রেশম উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা এবং বিশ্বের বৃহত্তম রেশম উৎপাদক হওয়ার পরিকল্পনা ভারতের গ্রামীণ উন্নয়ন, কৃষি উদ্ভাবন ও বস্ত্র শিল্প বিকাশে গুরুত্ব প্রতিফলিত করে। সেন্ট্রাল সিল্ক বোর্ডের ভূমিকা, রেশম চাষে প্রযুক্তির সংমিশ্রণ এবং রাজ্যভিত্তিক উৎপাদন নেতৃত্ব সম্পর্কে জ্ঞান থাকা অর্থনীতি, কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন এবং শাসনসম্পর্কিত বিষয়ে পরীক্ষার জন্য প্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার বিষয়
- রেশম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা: ২০৩০-৩১ সালে ৬০,০০০ মেট্রিক টন।
- ২০২৮-২৯ সালের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদক হওয়ার লক্ষ্য।
- বর্তমান উৎপাদন: প্রায় ৪২,০০০ মেট্রিক টন (২০১৪ সালের ২৬,০০০ থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে)।
- সেন্ট্রাল সিল্ক বোর্ড ১৯৪৮ সালে বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত।
- গুণমান ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য AI, GIS ও মেশিন লার্নিং প্রযুক্তির ব্যবহার।
- প্রধান রেশম প্রকার: তুঁত, তসর, এরি, মুগা।
- কর্ণাটক শীর্ষ রেশম উৎপাদনকারী রাজ্য।
- গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে রেশম চাষের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
অনুশীলনী MCQ
প্রশ্ন ১
- ২০৩০-৩১ সাল নাগাদ ভারতের বার্ষিক রেশম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কী?
- ২৬,০০০ মেট্রিক টন
- ৪২,০০০ মেট্রিক টন
- ৫০,০০০ মেট্রিক টন
- ৬০,০০০ মেট্রিক টন
উত্তর: ৬০,০০০ মেট্রিক টন
প্রশ্ন ২
- ভারতের রেশম খাতে গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য মূল দায়িত্বশীল সংস্থা কোনটি?
- কৃষি মন্ত্রণালয়
- Central Silk Board
- ভারতীয় কৃষি গবেষণা পরিষদ
- জাতীয় ফ্যাশন প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট
উত্তর: Central Silk Board
প্রশ্ন ৩
- ভারত কোন সালের মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম রেশম উৎপাদক হওয়ার লক্ষ্য রেখেছে?
- ২০২৬-২৭
- ২০২৮-২৯
- ২০৩০-৩১
- ২০৩৫-৩৬
উত্তর: ২০২৮-২৯