কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স গুরুত্বপূর্ণ

ভারত সরকার SMILE-ভিক্ষাবৃত্তি পুনর্বাসন পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করেছে

ভারত সরকার ২৩ অক্টোবর ২০২৩ থেকে সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্মাইল-ভিক্ষাবৃত্তি প্রকল্প চালু করেছে, যার মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিযুক্ত ব্যক্তিদের সার্বিক পুনর্বাসন নিশ্চিত করা হয়। বৃহত্তর স্মাইল উপকল্পের অংশ হিসেবে, এই প্রকল্প আশ্রয়, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও পরিবার পুনর্মিলনের মাধ্যমে প্রান্তিক ব্যক্তিদের উদ্ধার ও পুনঃসংযুক্তি নিশ্চিত করে। ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ২১৬টি শহরে ₹৪৫.৫৯ কোটি বরাদ্দের মাধ্যমে ২,৮২৪ শিশুসহ ১০,৪৪৬ জন পুনর্বাসিত হয়েছে। প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ৩৫,০০০ জন পুনর্বাসন এবং ২৯৫টি শহরে সম্প্রসারণ।

ভারত সরকার SMILE-ভিক্ষাবৃত্তি পুনর্বাসন পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করেছে

মূল তথ্য

  • উদ্বোধনের তারিখ: ২৩ অক্টোবর ২০২৩
  • বাস্তবায়নকারী মন্ত্রণালয়: সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রণালয়
  • বাজেট ও অর্থায়ন: ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ৪৫.৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ, যার মধ্যে ২১৬টি শহরের বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষকে সরাসরি ৪০.০৪ কোটি টাকা প্রদান
  • এপর্যন্ত সুবিধাভোগী: ১০,৪৪৬ জন পুনর্বাসিত, যার মধ্যে ৭,৬২২ জন প্রাপ্তবয়স্ক ও ২,৮২৪ জন শিশু
  • শিশু পুনর্বাসনের বিবরণ: ১,৫৪৯ শিশুকে পরিবারের সঙ্গে পুনর্মিলন, ৩০৯ জনকে অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে রাখা, ৬৭৬ জনকে বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং ২৯০ জনকে শিশু কল্যাণ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে
  • প্রাপ্তবয়স্কদের দক্ষতা প্রশিক্ষণ: বাগান করা, রান্না, দর্জিগিরি ও ই-রিকশা চালনায় বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ
  • ভবিষ্যৎ লক্ষ্য: ২০৩০-৩১ অর্থবর্ষের মধ্যে ৩৫,০০০ ব্যক্তিকে পুনর্বাসন ও প্রকল্পের আওতায় ২৯৫টি শহরে সম্প্রসারণ

পটভূমি ও প্রেক্ষাপট

ভারতে ভিক্ষাবৃত্তি একটি উল্লেখযোগ্য সামাজিক-অর্থনৈতিক সমস্যা, যা প্রান্তিক প্রাপ্তবয়স্ক ও শিশুদের প্রভাবিত করে। ২০২২ সালে প্রান্তিক ব্যক্তিদের জন্য চালু হওয়া SMILE প্রকল্পের আওতায় ২০২৩ সালে একটি বিশেষ উপ-প্রকল্প চালু করা হয়েছে যা ভিক্ষাবৃত্তিতে নিযুক্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে কাজ করে। এই উপ-প্রকল্প উদ্ধার অভিযান, আশ্রয়, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং পরিবার পুনর্মিলনের মাধ্যমে ভিক্ষাবৃত্তি নির্মূলের ব্যাপক কাঠামো গঠন করেছে। এটি 'ভিক্ষাবৃত্তি মুক্ত ভারত' সরকারের লক্ষ্য পূরণে সহায়ক।

পরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা

SMILE-ভিক্ষাবৃত্তি প্রকল্প দুর্বল জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক ন্যায়বিচার, পুনর্বাসন ও ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে ভারতের কাঠামোগত উদ্যোগের দৃষ্টান্ত। এটি সরকারি প্রকল্প, সমাজকল্যাণ নীতি, পুনর্বাসন কাঠামো এবং প্রান্তিক গোষ্ঠী বিষয়ক পরীক্ষায় প্রাসঙ্গিক। প্রকল্পের উদ্দেশ্য, কার্যক্রম, সুবিধাভোগী তথ্য ও লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে জানা প্রার্থীদের সামাজিক ন্যায়বিচার, মন্ত্রণালয় উদ্যোগ ও নগর শাসন বিষয়ক প্রশ্নের প্রস্তুতিতে সহায়তা করে।

মনে রাখার বিষয়

  • প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে সামাজিক ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন মন্ত্রণালয়।
  • SMILE-এর পূর্ণরূপ: Support for Marginalised Individuals for Livelihood and Enterprise।
  • ভিক্ষাবৃত্তি উপ-প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু: উদ্ধার, আশ্রয়, শিক্ষা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ ও পরিবার পুনর্মিলন।
  • উদ্ধারকৃত শিশুদের বয়সোপযোগী যত্ন ও শিক্ষা দেওয়া হয়, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দেয়া হয় না।
  • প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য বাগান, রান্না, দর্জিগিরি এবং ই-রিকশা চালনায় দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদান।
  • ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য ৪৫.৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ।
  • ২১৬টি শহর ও নগরে প্রকল্প চালু রয়েছে, ২০৩০-৩১ সালে ২৯৫টি শহরে সম্প্রসারণ পরিকল্পিত।
  • ২০৩১ সালের মধ্যে ভিক্ষাবৃত্তিতে নিযুক্ত ৩৫,০০০ জন পুনর্বাসনের লক্ষ্যমাত্রা।

তথ্যসূত্র

আরও পড়ুন