ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেনset: রেলের পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ
ভারতীয় রেল কর্তৃক দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত দেশের প্রথম হাইড্রোজেন-চালিত ১০ কোচের ট্রেনset চালু হয়েছে ১৭ জুলাই ২০২৬ থেকে, যা জিন্দ-সোনিপাত রেললাইনে চলবে। ট্রেনটি ১২০০ কিলোওয়াট ক্ষমতার হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল দ্বারা চালিত এবং ৭৫ কিমি/ঘন্টা প্ল্যানিং গতি রাখে, ডিজাইন সর্বোচ্চ গতি ১১০ কিমি/ঘন্টা। হাইড্রোজেন নির্গমন প্রায় শূন্য, শুধুমাত্র জলীয় বাষ্প ছাড়া অন্য কোনো দূষণ হয় না। এই প্রকল্প ভারতের গ্রিন হাইড্রোজেন মিশন ও নিট-জিরো কার্বন লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এই প্রতিবেদনটি এআই-সহায়তায় প্রস্তুত এবং স্বয়ংক্রিয় মান যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়েছে।
মূল তথ্য
- ভারতের প্রথম হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেনset ১৭ জুলাই ২০২৬-এ উদ্বোধিত হয়েছে।
- চালানো হবে জিন্দ থেকে সোনিপাত পর্যন্ত ৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলসেকশনে।
- ১০টি কোচবিশিষ্ট এই ট্রেনটি হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তি দ্বারা চালিত, প্রতিটি হাইড্রোজেন ড্রাইভিং পাওয়ার কারের ক্ষমতা ১২০০ কিলোওয়াট।
- অপারেশনাল গতি ৭৫ কিমি/ঘন্টা, ডিজাইন গতি ১১০ কিমি/ঘন্টা, এবং পরীক্ষামূলক সর্বোচ্চ গতি ১২০ কিমি/ঘন্টা।
- ট্রেনটির যাত্রী ধারণক্ষমতা প্রায় ২,৬০০ জন।
- জিন্দে দেশের বৃহত্তম রেল hydrogen স্টোরেজ এবং রিফুয়েলিং সুবিধা নির্মিত হয়েছে, যেখানে প্রায় ৩,০০০ কেজি হাইড্রোজেন সঞ্চিত রাখা যায়।
- হাইড্রোজেন সিস্টেমকে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান অনুসারে ডিজাইন ও পরিচালনা করা হচ্ছে, যেখানে স্বয়ংক্রিয় হাইড্রোজেন লিক এবং ফ্লেম ডিটেকশন সিস্টেম রয়েছে।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
বিশ্বব্যাপী জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প এবং পরিবেশ রক্ষার জন্য হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তি দ্রুত জনপ্রিয় হচ্ছে। ভারত এই নতুন, পরিচ্ছন্ন শক্তির প্রযুক্তি গ্রহণ করে খাদ্যমূলক দেশগুলোর মধ্যে সফলভাবে এই প্রযুক্তি বাস্তবায়ন করেছে। ভারতীয় রেলের এই প্রকল্পটি দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত এবং ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে উন্নত রেল পরিবহনের জন্য একটি মাইলফলক। এটি ভারতের পরিবেশবান্ধব এবং টেকসই রেল যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।
পরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা
হাইড্রোজেন-চালিত ট্রেন ভারতীয় রেলের পরিবহন ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নির্দেশ করে, যা দেশের পরিবেশনীতি ও উন্নয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এটি জাতীয় পর্যায়ে স্বল্প কার্বন নির্গমন এবং টেকসই উন্নয়নের অংশ। ভারতের শক্তি নিরাপত্তা, পরিবহন ব্যবস্থাপনা, এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি সম্পর্কিত পরীক্ষায় এর গুরুত্ব বেশি। এছাড়া, পদার্থবিজ্ঞান ও যান্ত্রিক প্রকৌশলের বাস্তব প্রয়োগের সেরা উদাহরণ হিসেবেও বিবেচিত।
মনে রাখার বিষয়
- হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল ট্রেন পরিবেশবান্ধব; ব্যবহার শেষে শুধুমাত্র জলীয় বাষ্প এবং তাপ উৎপন্ন করে, কোনো দূষণ সৃষ্টি করে না।
- ট্রেনটি ১০টি কোচবিশিষ্ট, যার মধ্যে ২টি হাইড্রোজেন ড্রাইভিং পাওয়ার কার এবং ৮টি ট্রেলার কোচ রয়েছে।
- প্রতিটি পাওয়ার কারের ক্ষমতা ১২০০ কিলোওয়াটের হাইড্রোজেন ফুয়েল সেল প্রযুক্তি দ্বারা চালিত।
- অপারেশনাল গতি ৭৫ কিমি/ঘন্টা, ডিজাইন গতি ১১০ কিমি/ঘন্টা, এবং পরীক্ষামূলক সর্বোচ্চ গতি ১২০ কিমি/ঘন্টা।
- জিন্দে দেশের বৃহত্তম হাইড্রোজেন সঞ্চয় এবং রিফুয়েলিং সুবিধা নির্মিত হয়েছে।
- হাইড্রোজেন নিরাপত্তার জন্য স্বয়ংক্রিয় লিক ডিটেকশন এবং ফ্লেম ডিটেকশন ব্যবস্থা রয়েছে।
- ভারত বর্তমানে জার্মানি, জাপান, চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত হাইড্রোজেন ট্রেন প্রযুক্তি উন্নয়নের দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
অনুশীলনী MCQ
প্রশ্ন ১
- ৭৫ কিমি/ঘন্টা
- ১১০ কিমি/ঘন্টা
- ১২০ কিমি/ঘন্টা
- ৯০ কিমি/ঘন্টা
উত্তর: ১ (অপারেশনাল গতি ৭৫ কিমি/ঘন্টা।)
প্রশ্ন ২
- জিন্দ-সোনিপাত
- জিন্দ-গোহানা
- সোনিপাত-দিল্লি
- গোহানা-সোনিপাত
উত্তর: ১ (ট্রেনটি জিন্দ থেকে সোনিপাত পর্যন্ত চলবে।)
প্রশ্ন ৩
- ২৪০০ কিলোওয়াট
- ১২০০ কিলোওয়াট
- ২৬০০ কিলোওয়াট
- ১০০০ কিলোওয়াট
উত্তর: ২ (প্রতিটি পাওয়ার কারের ক্ষমতা ১২০০ কিলোওয়াট।)