কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স গুরুত্বপূর্ণ রোজগার বাংলা এআই-সহায়িত সম্পাদকীয় ডেস্ক এই দিনের সব খবর →

এসসিও ২০২৬-২৭ সালের জন্য লাহোরকে পর্যটন ও সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেছে।

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য পর্যটন ও সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে মনোনীত করেছে। কিরগিজস্তানের বিশকেকে অনুষ্ঠিত SCO রাষ্ট্রপ্রধানদের ২৬তম কাউন্সিল বৈঠকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়। লাহোর তার সমৃদ্ধ মুঘল ঐতিহ্যের জন্য বিখ্যাত, যেখানে লাহোর দুর্গ ও শালিমার উদ্যানের মতো দর্শনীয় স্থান রয়েছে, উভয়ই ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। ২০২৬-২৭ মেয়াদে SCO-তে পাকিস্তানের সভাপতিত্ব সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মাধ্যমে সংযোগ, উদ্ভাবন এবং যৌথ সমৃদ্ধির উপর জোর দেবে, যা SCO সদস্যদের মধ্যে পর্যটন ও বিনিময়কে উৎসাহিত করবে।

এই প্রতিবেদনটি এআই-সহায়তায় প্রস্তুত এবং স্বয়ংক্রিয় মান যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়েছে।

এসসিও ২০২৬-২৭ সালের জন্য লাহোরকে পর্যটন ও সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেছে।

মূল তথ্য

  • পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক কেন্দ্রস্থল লাহোরকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও) ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য পর্যটন ও সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
  • কিরগিজস্তানের বিশকেকে অনুষ্ঠিত এসসিও রাষ্ট্রপ্রধান পরিষদের ২৬তম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
  • পাকিস্তান ‘দৃষ্টিকে বাস্তবে রূপদান: সংযোগ, উদ্ভাবন এবং সম্মিলিত সমৃদ্ধি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ২০২৬-২৭ সালের জন্য এসসিও-র সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে।
  • লাহোর তার মুঘল আমলের ঐতিহ্যবাহী স্থান যেমন লাহোর দুর্গ এবং শালিমার উদ্যানের জন্য প্রসিদ্ধ, যা দুটোই ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
  • এসসিও’র পর্যটন ও সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে পাল্টা পদবী প্রদান সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সঙ্গীত, ঐতিহ্য, পর্যটন ও মানুষো-মানুষো বিনিময় প্রচার করতে সাহায্য করে।

পটভূমি ও প্রেক্ষাপট

সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (এসসিও) ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি ইউরেশিয়ান আন্তঃসরকারি সংগঠন, যা সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি করে। ২০২৫ সালের মধ্যে এতে দশটি সদস্য রয়েছে: চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ভারত, পাকিস্তান, ইরান (২০২৩ সালে যোগদান) এবং বেলারুশ (২০২৪ সালে যোগদান)।

এসসিও রাষ্ট্রপ্রধান পরিষদ সংস্থাটির সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী প্রতিষ্ঠান, যা বার্ষিক সভা করে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে। কিরগিজস্তানের বিশকেকে অনুষ্ঠিত ২৬তম সভায় লাহোরকে ২০২৬-২৭ সালের জন্য পর্যটন ও সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে নির্বাচিত করা হয় এবং একই সময়ের জন্য পাকিস্তানকে এসসিও সভাপতিত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম প্রাচীন ও অবিচ্ছিন্নভাবে জনবসতিপূর্ণ শহর লাহোর, মুঘল, শিখ ও ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য বহন করে। বিখ্যাত ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনেস্কো তালিকাভুক্ত লাহোর দুর্গ ও শালিমার উদ্যান, পাশাপাশি প্রাচীরঘেরা শহর এবং বাদশাহী মসজিদ। এসব ঐতিহাসিক স্থাপনা লাহোরকে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত করেছে।

পাকিস্তান সভাপতিত্বকালে এসসিও সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে মিলিত হয়ে লাহোরের ঐতিহ্য তুলে ধরার জন্য এবং সংযোগ ও সম্মিলিত সমৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে সাংস্কৃতিক ও পর্যটন বিনিময় উৎসাহিত করার জন্য একটি বছরব্যাপী কর্মসূচি পালন করার পরিকল্পনা করেছে।

পরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা

আঞ্চলিক সহযোগিতায় এসসিও-র ভূমিকা, এর সম্প্রসারিত সদস্যপদ এবং পর্যটন ও সাংস্কৃতিক রাজধানী পদবীর মতো কার্যক্রম বোঝা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি দেখায় কীভাবে সাংস্কৃতিক কূটনীতির মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো ইউরেশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক ও পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায়।

লাহোরকে পর্যটন ও সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভূগোল এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিষয়ের প্রশ্নে প্রায়শই আসে।

পাকিস্তানের সভাপতিত্ব ও এর থিম এসসিও’র বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক লক্ষ্য প্রতিফলিত করে, যা আঞ্চলিক সংগঠন এবং দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতি সংক্রান্ত প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক।

মনে রাখার বিষয়

  • ২০০১ সালে সাংহাই ফাইভ-এর উত্তরসূরী হিসেবে এসসিও প্রতিষ্ঠিত হয়, প্রাথমিক সদস্য ছিল চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান ও উজবেকিস্তান।
  • ভারত ও পাকিস্তান ২০১৭ সালে পূর্ণ সদস্য হয়; ইরান ২০২৩ সালে এবং বেলারুশ ২০২৪ সালে যোগদান করে।
  • পাকিস্তান ২০২৬-২৭ সালের জন্য এসসিও’র সভাপতিত্ব করছে, থিম “দৃষ্টিকে বাস্তবে রূপদান: সংযোগ, উদ্ভাবন এবং সম্মিলিত সমৃদ্ধি।”
  • মুঘল স্থাপত্য ও দক্ষিণ এশীয় সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কারণে লাহোর ২০২৬-২৭ সালের জন্য পর্যটন ও সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত।
  • এসসিও রাষ্ট্রপ্রধান পরিষদ প্রতি বছর সভা করে এবং highest সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করে।

অনুশীলনী MCQ

প্রশ্ন ১

  1. নয়াদিল্লি
  2. লাহোর
  3. বারাণসী
  4. আলমাটি

উত্তর: ২. লাহোর

প্রশ্ন ২

  1. ২০১৭-১৮
  2. ২০২৪-২৫
  3. ২০২৬-২৭
  4. ২০২২-২৩

উত্তর: ৩. ২০২৬-২৭

প্রশ্ন ৩

  1. সাংহাই
  2. বিশকেক
  3. আস্তানা
  4. বেইজিং

উত্তর: ২. বিশকেক

তথ্যসূত্র