কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স গুরুত্বপূর্ণ রোজগার বাংলা এআই-সহায়িত সম্পাদকীয় ডেস্ক এই দিনের সব খবর →

মহারাষ্ট্রের চৌক-কারজাত রেললাইন দ্বিগুণ করার জন্য ৪৯৭ কোটি টাকার অনুমোদন দিল ভারতীয় রেল।

২০২৬ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর, ভারতীয় রেল মহারাষ্ট্রের সেন্ট্রাল রেলওয়ের অধীনে থাকা ১০.৮৬ কিলোমিটার দীর্ঘ চৌক-কারজাত রেলপথ বিভাগটিকে ৪৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে দ্বিগুণ করার অনুমোদন দিয়েছে। এই পরিকাঠামো প্রকল্পের লক্ষ্য হলো পানভেল-চৌক-কারজাত করিডোরের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করা, যা মুম্বাই মহানগর অঞ্চলের মধ্যে যাত্রী ও মাল পরিবহনের জন্য এবং অভ্যন্তরীণ সংযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে, এটি প্রতিদিন উভয় দিকে পাঁচটি অতিরিক্ত যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলের সুযোগ করে দেবে এবং বার্ষিক মাল পরিবহনের ক্ষমতা ১৮.৩৫ মিলিয়ন টন বৃদ্ধি করবে, যা এই ব্যস্ত রুটে কার্যকারিতা বাড়াবে এবং যানজট কমাবে।

এই প্রতিবেদনটি এআই-সহায়তায় প্রস্তুত এবং স্বয়ংক্রিয় মান যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়েছে।

মহারাষ্ট্রের চৌক-কারজাত রেললাইন দ্বিগুণ করার জন্য ৪৯৭ কোটি টাকার অনুমোদন দিল ভারতীয় রেল।

মূল তথ্য

  • ভারতীয় রেল ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সালে মহারাষ্ট্রে ১০.৮৬ কিলোমিটার দীর্ঘ চৌক-কারজাত রেল সেকশন দ্বিগুণ করার অনুমোদন দিয়েছে।
  • এই প্রকল্পটির অনুমোদিত ব্যয় ৪৯৭ কোটি টাকা।
  • এই সেকশনটি সেন্ট্রাল রেলওয়ে জোনের অধীনে, যার সদর দপ্তর মুম্বাইতে অবস্থিত।
  • দ্বিগুণকরণের ফলে প্রতিদিন উভয় পাশে পাঁচটি অতিরিক্ত যাত্রী ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
  • পণ্য পরিবহনের ক্ষমতা বার্ষিক ১৮.৩৫ মিলিয়ন টন বৃদ্ধি পাবে।
  • এই প্রকল্পটি পানভেল-চৌক-কারজাত রুটের অংশ, যা মুম্বাই মহানগর এলাকার যাত্রী ও মাল পরিবহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডোর।

পটভূমি ও প্রেক্ষাপট

চৌক-কারজাত সেকশন বর্তমানে একটি সিঙ্গেল-লাইন রেলপথ যেখানে মিশ্র ধরনের ট্রেন চলাচল করে। ভারতীয় রেলওয়ে ব্যস্ত রুটগুলোতে পরিচালন দক্ষতা বাড়াতে, ধারণক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এবং ট্রেনের বিলম্ব কমানোর লক্ষ্যে ট্র্যাক দ্বিগুণকরণ প্রকল্প নিয়মিত গ্রহণ করে। দ্বিগুণকরণ অর্থ হলো বিদ্যমান একক লাইনের পাশাপাশি একটি সমান্তরাল ট্র্যাক যুক্ত করা, যা মালবাহী ও যাত্রী উভয় ধরনের ট্রেন চলাচলকে সহজতর করে। এই প্রকল্পটি সেন্ট্রাল রেলওয়ে অন্তর্গত, যেটি ভারতীয় রেলের ১৮টি জোনের মধ্যে একটি এবং এর প্রশাসনিক ও পরিচালনগত কর্তৃত্ব রয়েছে।

পরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা

এই প্রকল্পটি বড় বড় রুটে ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিষেবা উন্নয়নের জন্য ভারতীয় রেলের চলমান পরিকাঠামোগত উন্নয়ন নীতিগুলি তুলে ধরে। ট্র্যাক দ্বিগুণকরণের ভূমিকা, এর সুবিধাসমূহ এবং ভারতীয় রেলের আঞ্চলিক প্রশাসনিক কাঠামো বোঝা পরিকাঠামো, পরিবহন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন খাতের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। প্রকল্পের দৈর্ঘ্য, ব্যয় ও অপারেশনজনিত সুবিধাসমূহ সম্পর্কে সূক্ষ্ম তথ্য পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে।

মনে রাখার বিষয়

  • একক লাইনের পাশে দ্বিতীয় ট্র্যাক যুক্ত করে ট্র্যাক দ্বিগুণকরণ রুটের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ট্রেন বিলম্ব কমায়।
  • চৌক-কারজাত সেকশনের দ্বিগুণকরণ প্রকল্পের ব্যয় ৪৯৭ কোটি টাকা এবং দৈর্ঘ্য ১০.৮৬ কিলোমিটার।
  • এই অংশটি মুম্বাইয়ে সদর দপ্তর থাকা সেন্ট্রাল রেলওয়ে জোনের অধীনে।
  • প্রকল্প সমাপ্ত হলে লাইনটি প্রতিদিন উভয় দিকে আরও পাঁচটি যাত্রী ট্রেন এবং বার্ষিক ১৮.৩৫ মিলিয়ন টন অতিরিক্ত মাল পরিবহন সক্ষম হবে।
  • ট্র্যাক দ্বিগুণকরণের প্রকল্পগুলি ভারতীয় রেলের ক্ষমতা বৃদ্ধির বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ, যার মধ্যে ট্র্যাক ত্রিগুণকরণ, চতুর্গুণকরণ এবং বাইপাস অন্তর্ভুক্ত।

অনুশীলনী MCQ

প্রশ্ন ১

  1. ২৫০ কোটি টাকা
  2. ৪৯৭ কোটি টাকা
  3. ৭০০ কোটি টাকা
  4. ১,০০০ কোটি টাকা

উত্তর: ৪৯৭ কোটি টাকা

প্রশ্ন ২

  1. মুম্বাই বিভাগ
  2. পশ্চিম রেলওয়ে অঞ্চল
  3. সেন্ট্রাল রেলওয়ে জোন
  4. দক্ষিণ রেলওয়ে জোন

উত্তর: সেন্ট্রাল রেলওয়ে জোন

প্রশ্ন ৩

  1. ১০.৮৬ কিমি
  2. ১৫.২৩ কিমি
  3. ১৮.৫০ কিমি
  4. ২৫.০০ কিমি

উত্তর: ১০.৮৬ কিমি

তথ্যসূত্র