কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স গুরুত্বপূর্ণ

ড্রোন যুদ্ধের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী বাজ ব্যাটালিয়ন গঠন করবে

ভারতীয় সেনাবাহিনী ড্রোন যুদ্ধ সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য Army Aviation Corps-এর অধীনে বিশেষায়িত 'বাজ ব্যাটালিয়ন' গঠন করছে, যা গোয়েন্দা, নজরদারি, অনুসন্ধান (ISR) এবং আক্রমণমূলক অভিযানকে কেন্দ্র করে। ২০২৬ সালে সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী দ্বারা ঘোষিত এই ব্যাটালিয়নগুলি বিশেষজ্ঞ একটি দল তৈরি করবে, যারা ড্রোন পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ, এবং স্থল বাহিনীর সাথে সমন্বয় সাধনে সক্ষম হবে। এটি ভারত-চীন LAC সীমান্ত সংঘাত, Operation Sindoor পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতাগুলিকে প্রতিফলিত করে। এই উদ্যোগ সেনাবাহিনীর Decade of Transformation আধুনিকীকরণ পরিকল্পনার অঙ্গ। কয়েক বছর আগে কয়েকশ ড্রোনের মজুদ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যভাগে এটি ৫০,০০০-এরও বেশি সিস্টেমে উন্নীত হয়েছে এবং ভবিষ্যতে আরও বাড়ার আশাবাদ রয়েছে। ব্যাটালিয়নগুলো বিদ্যমান Remotely Piloted Aircraft Flights-এ ভিত্তি করে তৈরি, এবং Ashini প্লাটুন ও Divyastra ব্যাটারি থেকে আলাদা।

ড্রোন যুদ্ধের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী বাজ ব্যাটালিয়ন গঠন করবে

মূল তথ্য

  • বাজ ব্যাটালিয়ন হলো ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট, যা Army Aviation Corps-এর অধীনে ড্রোন যুদ্ধে নিয়োজিত।
  • এরা দূরদূরান্তের ড্রোন ব্যবহার করে গোয়েন্দা, নজরদারি, অনুসন্ধান (ISR), এবং আক্রমণমূলক ভূমিকায় কাজ করে।
  • এই ইউনিটগুলোর লক্ষ্য যুদ্ধক্ষেত্রে সচেতনতা বৃদ্ধি ও দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করা।
  • সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী ২০২৬ সালে এটি গঠনের ঘোষণা দেন।
  • ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ভারতীয় সেনাবাহিনীর ড্রোন মজুদ কয়েকশ থেকে বেড়ে ৫০,০০০-এরও বেশি মনুষ্যবিহীন সিস্টেমে উন্নত হয়েছে, এবং আগামী বছরগুলোতে দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
  • এই উদ্যোগটি ভারতের LAC-এ চীন সীমান্ত সংঘাত, Operation Sindoor পাকিস্তানের বিরুদ্ধে, এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত থেকে প্রাপ্ত সাম্প্রতিক শিক্ষা দ্বারা প্রভাবিত।
  • বাজ ব্যাটালিয়ন ভারতীয় সেনাবাহিনীর Decade of Transformation আধুনিকীকরণ কাঠামোর অংশ।
  • এগুলো বিদ্যমান Remotely Piloted Aircraft Flights-এর ওপর ভিত্তি করে গঠিত হবে, যা সমস্ত রণক্ষেত্রে ড্রোন অপারেশনের জন্য একটি কাঠামোগত সংস্থা এবং বিশেষজ্ঞ জনবল প্রদান করবে।
  • এই ব্যাটালিয়নগুলো পূর্বের Ashini ড্রোন প্লাটুন এবং Divyastra ব্যাটারি থেকে ভিন্ন, যা ড্রোন যুদ্ধ ইউনিটগুলোর বিস্তার ও বিশেষায়নের প্রতীক।

পটভূমি ও প্রেক্ষাপট

ড্রোন প্রযুক্তির বিস্তার বিশ্বব্যাপী আধুনিক সামরিক অভিযানগুলোর একটি নির্ণায়ক বিষয়বস্তু হয়ে উঠেছে। ভারতের LAC-এ চীনের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতগুলো চালকবিহীন যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা এবং প্রস্তুতির ঘাটতি প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে Operation Sindoor-এর মতো অভিযানগুলো আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোনের কার্যকারিতা প্রকাশ করেছে। বিশ্বজুড়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ তথ্য ও নজরদারি (ISR) এবং সূক্ষ্ম হামলায় ড্রোন ও মনুষ্যবিহীন প্ল্যাটফর্মের কার্যকারিতা প্রমাণ করেছে। ভারতের সেনাবাহিনী বাজ ব্যাটালিয়নের মাধ্যমে ড্রোন সক্ষমতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে যাচ্ছে, যা ড্রোন পরিচালনা, মোতায়েন ও রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষীকৃত প্রশিক্ষণ প্রদান করে এবং স্থল বাহিনীর সাথে সমন্বিত ক্রমবর্ধমান ও জটিল ড্রোন পরিবেশ গড়ে তুলবে।

পরীক্ষার জন্য প্রাসঙ্গিকতা

এই বিষয়টি প্রতিরক্ষা, সাম্প্রতিক ঘটনাবলী ও সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষত ভারতের সামরিক আধুনিকীকরণ, প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রসঙ্গে। পরীক্ষায় বাজ ব্যাটালিয়নের নাম এবং ভূমিকা, সেনাপ্রধানের ঘোষণা, Decade of Transformation এর মতো আধুনিকীকরণ পরিকল্পনা, ড্রোন মজুদের বৃদ্ধি এবং ভূ-রাজনৈতিক সংঘাতসমূহের প্রভাবের বিষয়ে প্রশ্ন থাকা সম্ভব।

মনে রাখার বিষয়

  • বাজ ব্যাটালিয়ন = ভারতীয় Army Aviation Corps-এর অধীনে বিশেষায়িত ড্রোন যুদ্ধ ইউনিট।
  • ২০২৬ সালে জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী কর্তৃক আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
  • দূরদূরান্তের ড্রোন ব্যবহার করে ISR ও আক্রমণাত্মক ভূমিকায় দৃষ্টি নিবদ্ধ।
  • ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে ড্রোনের সংখ্যা কয়েকশ থেকে বেড়ে ৫০,০০০-এর বেশি।
  • LAC সীমান্ত সংঘাত, Operation Sindoor, ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শিক্ষা গ্রহণ।
  • সেনাবাহিনীর Decade of Transformation-এর অংশ, আধুনিকীকরণ ও সক্ষমতা উন্নয়নে গুরুত্বারোপ।
  • Ashini ও Divyastra ইউনিট থেকে পৃথক।
  • মনুষ্যবিহীন আকাশযান ব্যবস্থার ক্রমাগত অন্তর্ভুক্তি ও আধুনিকীকরণের প্রয়োজন মেটায়।

তথ্যসূত্র

আরও পড়ুন