কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স গুরুত্বপূর্ণ রোজগার বাংলা এআই-সহায়িত সম্পাদকীয় ডেস্ক এই দিনের সব খবর →

টাটা এলেক্সসি ও সরলা এভিয়েশন স্বাক্ষর করল শূন্যা ইভিটিওএল উন্নয়নের চুক্তি

১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ বেঙ্গালুরুতে টাটা এলেক্সসি ও সরলা এভিয়েশনের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার মাধ্যমে তারা ভারতের প্রথম স্থানীয় ইলেকট্রিক ভার্টিকাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং (eVTOL) বিমান শূন্যা উন্নয়ন করবে। বিমানটি ৭ আসনের, যার মধ্যে ১ পাইলট ও ৬ যাত্রী আসন রয়েছে। এর কার্যকরী রেঞ্জ ৩০০ কিলোমিটার পার করতে সক্ষম এবং রানওয়ে ছাড়া উড্ডয়ন ও অবতরণ করতে পারবে। টাটা এলেক্সসি সফটওয়্যার, অ্যাভিওনিক্স ও ফ্লাইট কন্ট্রোল সিস্টেমে সহযোগিতা করবে, ও সরলা এভিয়েশন ডিজাইন, উন্নয়ন ও সার্টিফিকেশন পরিচালনায় দায়িত্বশীল থাকবে। প্রথম ফ্লাইটের জন্য ১৮-২৪ মাস সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এই প্রকল্প ভারতের অ্যাভিয়েশন সেক্টরে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত।

এই প্রতিবেদনটি এআই-সহায়তায় প্রস্তুত এবং স্বয়ংক্রিয় মান যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়েছে।

টাটা এলেক্সসি ও সরলা এভিয়েশন স্বাক্ষর করল শূন্যা ইভিটিওএল উন্নয়নের চুক্তি

মূল তথ্য

  • ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ বেঙ্গালুরুতে টাটা এলেক্সসি ও সরলা এভিয়েশনের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
  • শূন্যা একটি ভারতীয় নির্মিত ইলেকট্রিক ভার্টিকাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং (eVTOL) বিমান, ৭ আসনবিশিষ্ট (১ পাইলট ও ৬ যাত্রী)।
  • বিমানটির ফ্লাইট রেঞ্জ ৩০০ কিমি ছাড়িয়ে যেতে সক্ষম।
  • শূন্যা রানওয়ে ছাড়া উড্ডয়ন ও অবতরণ করতে পারবে।
  • টাটা এলেক্সসি অ্যাভিওনিক্স, ফ্লাইট কন্ট্রোল সিস্টেম, সফটওয়্যার ইন্টিগ্রেশন, টেস্টিং, ভেরিফিকেশন, ভ্যালিডেশন ও সার্টিফিকেশনে সহযোগিতা করবে।
  • সরলা এভিয়েশন ডিজাইন, উন্নয়ন এবং টাইপ সার্টিফিকেশন পরিচালনা করবে।
  • প্রথম ফ্লাইট সম্পন্নের জন্য ১৮ থেকে ২৪ মাস সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পটভূমি ও প্রেক্ষাপট

eVTOL প্রযুক্তি বিশ্বব্যাপী নগর ও আঞ্চলিক বিমান পরিবহন ক্ষেত্রে বিপ্লবের সূচনা করেছে। শূন্যার মাধ্যমে ভারতের প্রথম নিজস্ব eVTOL বিমানের উন্নয়ন দেশটির উচ্চতর অ্যাভিয়েশন প্রযুক্তির প্রতীক। এটি উন্নত ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও অগ্রসর সফটওয়্যার সমাধান দ্বারা সজ্জিত, যা পরিবহন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

পরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা

শূন্যা প্রকল্প ভারতের অ্যাভিয়েশন সেক্টরে অগ্রণী প্রযুক্তিগত উন্নয়ন ও স্থানীয় নির্মাণের উদাহরণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রকল্প দেশের প্রযুক্তিগত স্বাবলম্বিতা, উন্নত গবেষণা ও উন্নয়ন নীতিমালা এবং নতুন ক্যাটাগরিতে বিনিয়োগের দিক তুলে ধরে। আধুনিক প্রযুক্তি ও অবকাঠামো সম্পর্কিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এর তথ্য অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

মনে রাখার বিষয়

  • শূন্যা একটি ৭ আসনের eVTOL বিমান, যার মধ্যে ১ পাইলট ও ৬ যাত্রী রয়েছে।
  • মূল উদ্দেশ্য রানওয়ে ছাড়া উড্ডয়ন এবং স্থলবন্দর নির্ভরতা কমানো।
  • ফ্লাইট রেঞ্জ ৩০০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যাবে।
  • টাটা এলেক্সসি নকশায় নয়, সফটওয়্যার ও সিস্টেম ইন্টিগ্রেশনে সহযোগিতা করবে।
  • সরলা এভিয়েশন ডিজাইন, উন্নয়ন ও সার্টিফিকেশন করবে।
  • প্রথম ফ্লাইটের জন্য ১৮-২৪ মাস সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অনুশীলনী MCQ

প্রশ্ন ১

  1. শূন্যা eVTOL বিমানে মোট কত আসন রয়েছে?

উত্তর: গ - ৭ আসন (৬ যাত্রী ও ১ পাইলট)

প্রশ্ন ২

  1. টাটা এলেক্সসি ও সরলা এভিয়েশনের চুক্তি কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  2. মুম্বাই
  3. নয়াদা
  4. বেঙ্গালুরু
  5. হায়দরাবাদ

উত্তর: গ - বেঙ্গালুরু

প্রশ্ন ৩

  1. শূন্যা বিমানের পরিকল্পিত ফ্লাইট রেঞ্জ কত?
  2. ২০০ কিমি
  3. ৩০০+ কিমি
  4. ৫০০ কিমি
  5. ১০০ কিমি

উত্তর: খ - ৩০০ কিমি এর বেশি

তথ্যসূত্র