প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় ই-কে-ওয়াইসি বাধ্যতামূলক পুদুচেরিতে
২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে পুদুচেরিতে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনার (PMGKAY) সুবিধাভোগীদের রেশন ক্রয়ের জন্য ই-কে-ওয়াইসি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই প্রকল্পে খাদ্য অনুদান সরকারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রূপী (e₹) আকারে বিতরণ করা হয়, যা পূর্বের ক্যাশভিত্তিক ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) পদ্ধতির পরিবর্তে এসেছে। সুবিধাভোগীরা CBDC ওয়ালেট পান যা ৩ মাসের জন্য বৈধ, এবং শুধুমাত্র ফেয়ার প্রাইস শপ ও অনুমোদিত দোকানে খাদ্যশস্য কেনার জন্য ব্যবহার হয়। যারা ই-কে-ওয়াইসি করেননি, তাদের কমন সার্ভিস সেন্টারে গিয়ে আধার ও রেশন কার্ডসহ বিনামূল্যে ই-কে-ওয়াইসি সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়াও, ই-কে-ওয়াইসি প্রতি পাঁচ বছরে পুনরায় বাধ্যতামূলক করা হয়েছে Targeted Public Distribution System (Control) Amendment Order, ২০২৫ অনুযায়ী। এই CBDC ভিত্তিক খাদ্য অনুদান মডেল পাইলট সফল হলে, গুজরাট, চণ্ডীগড়, দাদরা নগর হাভেলি ও ডাদরা ও দিনৌয়ের মতো অন্যান্য কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ২০২৬ সালের জুন মাসের মধ্যে বিস্তার করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মূল তথ্য (Key Facts)
- ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে পুদুচেরিতে PMGKAY-এর অধীনে রেশন কেনার জন্য ই-কে-ওয়াইসি প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- খাদ্য অনুদান ডিজিটাল রূপী (e₹), যা ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্তৃক ইস্যুকৃত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডিজিটাল কারেন্সি (CBDC) হিসেবে পরিচিত, এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয়।
- সুবিধাভোগীরা একটি ডিজিটাল ওয়ালেট পান যা ইস্যুর তারিখ থেকে ৩ মাসের জন্য বৈধ থাকে।
- এই ডিজিটাল কারেন্সির ব্যবহার শুধুমাত্র ফেয়ার প্রাইস শপ ও অনুমোদিত দোকানে খাদ্য শস্য ক্রয়ের জন্য সীমাবদ্ধ।
- ই-কে-ওয়াইসি করতে হবে কমন সার্ভিস সেন্টারে আধার এবং রেশন কার্ড নিয়ে; এটি বিনামূল্যে।
- Targeted Public Distribution System (Control) Amendment Order, ২০২৫ অনুযায়ী, ই-কে-ওয়াইসি প্রতি ৫ বছরে পুনরায় বাধ্যতামূলক।
- এই CBDC ভিত্তিক পাইলট প্রকল্প প্রথমে পুদুচেরিতে চালু হয়েছে এবং জুন ২০২৬-এর মধ্যে অন্য কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে।
পটভূমি ও প্রসঙ্গ (Background & Context)
প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনা (PMGKAY) ভারতের বৃহত্তম খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্প, যা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য শস্য বিতরণ করে থাকে। ভারত সরকার ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নের অংশ হিসেবে, এই প্রকল্পের অধীনে খাদ্য অনুদানের টাকা সরাসরি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ইস্যুকৃত ডিজিটাল মুদ্রা e₹ ওয়ালেটে স্থানান্তর করছে, যা আধুনিক ও স্বচ্ছ বেনিফিট ট্রান্সফার ব্যবস্থা। ই-কে-ওয়াইসি হলো সুবিধাভোগীর পরিচয় যাচাইয়ের ডিজিটাল পদ্ধতি, যা নিশ্চিত করে সুবিধা প্রকৃত ও উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে পৌঁছায়। CBDC হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বারা ইস্যুকৃত ডিজিটাল সোভরিন মুদ্রা, যা ক্রিপ্টোকারেন্সির মতো নয়, কারণ এটি সরকারি নিয়ন্ত্রণাধীন ও নির্ধারিত উদ্দেশ্যে ব্যবহারযোগ্য।
পরীক্ষার জন্য প্রাসঙ্গিকতা (Why This Matters for Exams)
এটি ডিজিটাল আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, সামাজিক নিরাপত্তা নীতি ও আধুনিক সরকারি উদ্যোগের বাস্তব উদাহরণ। ভারতীয় প্রশাসনিক, ব্যাংকিং ও রাজস্ব ব্যবস্থার প্রাসঙ্গিক তথ্য হিসেবে সাম্প্রতিক সরকারি প্রকল্প ও সংশোধনী আইন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা ও তার প্রয়োগ, সরকারি খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা ডিজিটালীকরণ, সুবিধাভোগী যাচাই প্রক্রিয়া প্রভৃতি বিষয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
মনে রাখার বিষয় (Points to Remember)
- CBDC (Central Bank Digital Currency) ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ইস্যুকৃত ডিজিটাল সোভরিন মুদ্রা, e₹ নামে পরিচিত।
- PMGKAY-এর অধীনে পুদুচেরিতে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ই-কে-ওয়াইসি বাধ্যতামূলক।
- ই-কে-ওয়াইসি প্রতি পাঁচ বছরে পুনরায় করাতে হবে, যা Targeted Public Distribution System (Control) Amendment Order, ২০২৫ অনুযায়ী বাধ্যতামূলক।
- ই-কে-ওয়াইসি বিনামূল্যে কমন সার্ভিস সেন্টারে সম্পন্ন হয়, প্রমাণ হিসেবে আধার ও রেশন কার্ড দরকার।
- খাদ্য অনুদান শুধুমাত্র CBDC ভিত্তিক ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে এবং শুধুমাত্র ফেয়ার প্রাইস শপ ও অনুমোদিত দোকানে কেনা যাবে।
- CBDC ভিত্তিক পাইলট প্রকল্প সফল হলে, অন্যান্য কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ২০২৬ সালের মধ্যে বিস্তার করা হবে।