কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স গুরুত্বপূর্ণ রোজগার বাংলা এআই-সহায়িত সম্পাদকীয় ডেস্ক এই দিনের সব খবর →

জাতিসংঘ ঘোষণা করেছে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক শিশু বিবাহ নির্মূল দিবস

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০২৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর একটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে প্রতি বছর ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক শিশু, প্রারম্ভিক ও জোরপূর্বক বিবাহ নির্মূল দিবস হিসেবে পালন করার ঘোষণা দিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত শিশু বিবাহ নির্মূলের জন্য বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বৃদ্ধি, নীতি সমন্বয় ও কর্মসূচি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে গৃহীত। এই দিবস শিশুবিবাহের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে শক্তিশালী করবে।

এই প্রতিবেদনটি এআই-সহায়তায় প্রস্তুত এবং স্বয়ংক্রিয় মান যাচাইয়ের পর প্রকাশিত হয়েছে।

জাতিসংঘ ঘোষণা করেছে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক শিশু বিবাহ নির্মূল দিবস

মূল তথ্য

  • জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ২০২৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক শিশু, প্রারম্ভিক ও জোরপূর্বক বিবাহ নির্মূল দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে।
  • শিশু বিবাহ বলতে বোঝায় যে কোনও বিবাহ যেখানে অন্তত একজন পক্ষ ১৮ বছরের নিচে।
  • জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) অনুযায়ী, বিশ্বে প্রায় ৬৪০ মিলিয়ন মেয়ে ও নারী শিশুবিবাহিত।
  • প্রতি বছর প্রায় ১২ মিলিয়ন মেয়ে ১৮ বছরের নিচে বিয়ে হয়।
  • জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা পাবলিক সচেতনতা, আইন প্রয়োগ ও শিক্ষা প্রচারণা চালাবে।
  • ভারতের ‘‘বাল বিবাহ মুক্ত ভারত’’ অভিযান ২৭ নভেম্বর ২০২৪ থেকে শুরু হয়েছে যা জাতিসংঘের নতুন আন্তর্জাতিক দিবসটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
  • অসম রাজ্যে ২০২৪ সালে শিশু বিবাহের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান পরিচালিত হয়েছে, অনেক মামলা ও গ্রেপ্তার হয়েছে এবং শিশু বিবাহের হার কমেছে।
  • ভারতের জাতীয় পরিবার স্বাস্থ্য জরিপ (NFHS) অনুযায়ী ২০-২৪ বছর বয়সী নারীদের মধ্যে ১৮ বছরের আগের বিয়ের হার ২৩.৩% থেকে ২০.১% কমেছে ২০১৯–২০২১ (NFHS-৫) থেকে ২০২৩–২০২৪ (NFHS-৬) পর্যন্ত।
  • ভারতের প্রধান শিশু বিবাহ বিরোধী আইন হলো ‘Prohibition of Child Marriage Act, ২০০৬’।

পটভূমি ও প্রেক্ষাপট

শিশু, প্রারম্ভিক ও জোরপূর্বক বিবাহ মানবাধিকার লঙ্ঘন ও শিশুর বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে। জাতিসংঘের এই আন্তর্জাতিক দিবস শিশু বিবাহ নির্মূলে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারকে দৃঢ় করে। বিশ্বব্যাপী প্রচেষ্টায় শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিশু বিবাহ এখনও প্রচলিত। ভিন্নতা থাকলেও সবার লক্ষ্য শিশু ও জোরপূর্বক বিবাহের অবসান।

পরীক্ষার প্রাসঙ্গিকতা

শিশু বিবাহ সংক্রান্ত এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগ সমাজবিজ্ঞান, মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও আইন বিষয়ক পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG-৫) এবং মানবাধিকার বাস্তবায়নে এর অবদান ও ভারতের প্রচেষ্টা বিশেষ প্রাসঙ্গিক। পাশাপাশি প্রতিবেশি রাষ্ট্র বাংলাদেশেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ।

মনে রাখার বিষয়

  • জাতিসংঘ ২০২৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর একমত হয়ে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক শিশু বিবাহ নির্মূল দিবস ঘোষণা করেছে।
  • শিশু বিবাহ হলো যেখানে বিবাহের অন্তত একটি পক্ষ ১৮ বছরের নিচে।
  • ভারতের ‘বাল বিবাহ মুক্ত ভারত’ অভিযান ও জাতীয় নীতি শিশু বিবাহ হ্রাসে সহায়ক।
  • অসম রাজ্যে শিশু বিবাহের বিরুদ্ধে ব্যাপক পুলিশ অভিযান চালানো হয়েছে, ফলে অনেক মামলা ও গ্রেপ্তার হয়েছে এবং শিশুবিবাহের হার কমেছে।
  • NFHS পরিসংখ্যান ভারতসহ বিশ্বে শিশু বিবাহ হ্রাসের প্রবণতা দেখায়।
  • ‘Prohibition of Child Marriage Act, ২০০৬’ ভারতের প্রধান শিশু বিবাহ বিরোধী আইন।

অনুশীলনী MCQ

প্রশ্ন ১

  1. জাতিসংঘ কোন তারিখে ২৭ নভেম্বরকে আন্তর্জাতিক শিশু বিবাহ নির্মূল দিবস ঘোষণা করেছে?
  2. সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬
  3. নভেম্বর ২৭, ২০২৬
  4. অক্টোবর ১৫, ২০২৬
  5. ডিসেম্বর ১০, ২০২৬

উত্তর: সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬

প্রশ্ন ২

  1. শিশু বিবাহের জন্য নূন্যতম বিবাহযোগ্য বয়স কত?
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
  5. ১৫ বছর

উত্তর: ১৮ বছর

প্রশ্ন ৩

  1. ভারতের কোন রাজ্যে ২০২৪ সালে শিশু বিবাহ প্রতিরোধে ব্যাপক পুলিশ অভিযান চালানো হয়েছে?
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. অসম
  4. বিহার
  5. তামিলনাডু

উত্তর: অসম

তথ্যসূত্র