ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেরে: বিখ্যাত পদার্থবিদ ও ২০১৩ সালের নোবেল বিজয়ী প্রয়াত
বেলজিয়ামের তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেরে, যিনি ২০১৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, ৯৩ বছর বয়সে উকলে, ব্রাসেলসের কাছে মারা গেছেন। তিনি ৬ নভেম্বর ১৯৩২ সালে বেলজিয়ামের এটারবিক শহরে জন্মগ্রহণ করেন এবং ফ্রি ইউনিভার্সিটি অফ ব্রাসেলসে পিএইচডি শেষ করেন। তার প্রধান অবদান হলো ব্রুট-এঙ্গলেরে-হিগস মেকানিজম, যা মৌলিক কণাদের ভর উৎপত্তি ব্যাখ্যা করে এবং স্ট্যান্ডার্ড মডেল অফ পার্টিকেল ফিজিক্সে অন্তর্ভুক্ত। ২০১২ সালে সিইএনআর এর লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে হিগস বোজন আবিষ্কারের মাধ্যমে এই তত্ত্বের পরীক্ষানিরীক্ষা নিশ্চিত হয়। তিনি কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক ছিলেন এবং পরে বেলজিয়ামে ফিরে গবেষণা চালিয়ে গেছেন।
মূল তথ্য
- ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেরে ৬ নভেম্বর ১৯৩২ সালে বেলজিয়ামের এটারবিকে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৯ সালে ফ্রি ইউনিভার্সিটি অফ ব্রাসেলসে পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।
- ২০১৩ সালে পিটার হিগসের সঙ্গে যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।
- ১৯৬৪ সালে রবার্ট ব্রুটের সঙ্গে স্বতঃস্ফূর্ত সমানুভূতি তত্ত্ব সম্পর্কিত গবেষণা করেন যা পরে ব্রুট-এঙ্গলেরে-হিগস মেকানিজম নামে পরিচিত।
- ব্রুট-এঙ্গলেরে-হিগস মেকানিজম ব্যাখ্যা করে কণাগুলো কীভাবে ভর অর্জন করে।
- ২০১২ সালে সিএনআর এর লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে হিগস বোজন আবিষ্কার করা হয় যা মেকানিজমটি নিশ্চিত করে।
- কর্ণেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পর তিনি বেলজিয়ামে ফিরে যান এবং ফ্রি ইউনিভার্সিটি অফ ব্রাসেলসে গবেষণা চালিয়ে যান।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে, তিনি একটি পোলিশ-ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করে বেলজিয়ামে লুকিয়েছিলেন।
পটভূমি ও প্রেক্ষাপট
ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেরে একটি পোলিশ-ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালে বেলজিয়ামের বিভিন্ন শহরে নিজেকে গোপন পরিচয়ে রাখতেন। তিনি ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হন এবং পরে পদার্থবিজ্ঞানে পিএইচডি অর্জন করেন ফ্রি ইউনিভার্সিটি অফ ব্রাসেলসে। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ফ্রি ইউনিভার্সিটি অফ ব্রাসেলসে গবেষণায় অবদান রাখেন। ব্রুট-এঙ্গলেরে-হিগস মেকানিজম আধুনিক পার্টিকেল ফিজিক্স এবং গেজ থিওরির ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
পরীক্ষার জন্য গুরুত্ব
ফ্রাঁসোয়া এঙ্গলেরের গবেষণা ব্রুট-এঙ্গলেরে-হিগস মেকানিজম নামে পরিচিত, যা মৌলিক দিক থেকে স্ট্যান্ডার্ড মডেল অফ পার্টিকেল ফিজিক্সে গুরুত্বপূর্ণ। নোবেল জয়, তার তাত্ত্বিক অবদান এবং হিগস বোজন আবিষ্কারের ইতিহাস পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান ও বিখ্যাত বিজ্ঞানীদের অবদান জানতে এই তথ্যের গুরুত্ব রয়েছে।
মনে রাখার বিষয়সমূহ
- জন্ম: ৬ নভেম্বর ১৯৩২, এটারবিক, বেলজিয়াম।
- মৃত্যু: ১৮ জুন ২০২৬, উকলে, ব্রাসেলসের কাছে।
- পিএইচডি: ১৯৫৯, ফ্রি ইউনিভার্সিটি অফ ব্রাসেলস।
- নোবেল পুরস্কার: ২০১৩ সালে পিটার হিগসের সঙ্গে ভাগ করে পদার্থবিজ্ঞানে।
- মূল তত্ত্ব: ব্রুট-এঙ্গলেরে-হিগস মেকানিজম (১৯৬৪)।
- গবেষণা প্রতিষ্ঠান: ফ্রি ইউনিভার্সিটি অফ ব্রাসেলস ও কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়।
- হিগস বোজন আবিষ্কার: ২০১২ সালে সিএনআর এর লার্জ হ্যাড্রন কলাইডারে।